Logo

সড়ক দখল বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি

রিপোর্টার: অনলাইন ডেক্স
তারিখ: 05 November 2026
চট্টগ্রামের কর্ণফুলী টানেলের আনোয়ারা প্রান্তের গোলচত্বর এলাকায় সড়ক দখল করে গড়ে উঠেছে সিএনজিচালিত অটোরিকশার একাধিক অবৈধ স্টেশন। সড়কের ওপর যত্রতত্র অটোরিকশা দাঁড় করিয়ে যাত্রী ওঠানামা করায় সৃষ্টি হচ্ছে যানজট। পাশাপাশি বেপরোয়া চলাচল ও নিয়ন্ত্রণহীন যানবাহনের কারণে বাড়ছে সড়ক দুর্ঘটনার ঝুঁকি। স্টেশন পরিচালনাকারীদের বিরুদ্ধে চালকদের লাইসেন্স ও গাড়ির বৈধ কাগজপত্র ছাড়াই অটোরিকশা চলাচলের সুযোগ দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে। টানেলের আনোয়ারা প্রান্তের গোলচত্বরসংলগ্ন সড়কের একটি অংশ দখল করে সারিবদ্ধভাবে দাঁড় করিয়ে রাখা হয়েছে সিএনজিচালিত অটোরিকশা। এসব গাড়ির জন্য তৈরি করা হয়েছে নিজস্ব সিরিয়াল ব্যবস্থা। অভিযোগ রয়েছে, নির্দিষ্ট চক্রের নিয়ন্ত্রণে চলে এই সিরিয়াল। টাকা দিয়ে সিরিয়াল না পেলে বৈধ কাগজপত্র থাকা অন্য অটোরিকশাও সেখানে যাত্রী ওঠানামার সুযোগ পায় না। অন্যদিকে, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও চালকের ড্রাইভিং লাইসেন্স না থাকা কিছু অটোরিকশাও সিরিয়ালের মাধ্যমে চলাচল করছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

স্থানীয়দের অভিযোগ, সড়কের ওপর এভাবে অটোরিকশা স্টেশন গড়ে ওঠায় টানেলমুখী ও আনোয়ারাগামী যানবাহনের স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। বিশেষ করে ব্যস্ত সময়ে একদিকে যানজট, অন্যদিকে বেপরোয়া অটোরিকশার চলাচল পথচারী ও অন্যান্য যানবাহনের চালকদের জন্য ঝুঁকি তৈরি করছে। দীর্ঘদিন ধরে এ অবস্থা চললেও স্থায়ী কোনো সমাধান হচ্ছে না।
গত ৩০ জুলাই বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে টানেল মোড়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি বাস দোকানে ঢুকে পড়ে। এতে তিনজন নিহত ও অন্তত ১৫ জন আহত হন। দুর্ঘটনায় আটটি সিএনজিচালিত অটোরিকশাও ক্ষতিগ্রস্ত হয় বলে জানা গেছে। এ ঘটনার পরও টানেলসংলগ্ন এলাকায় সড়ক দখল, অব্যবস্থাপনা ও যানবাহনের অনিয়ন্ত্রিত চলাচল নিয়ে উদ্বেগ কমেনি। স্থানীয়দের দাবি, প্রায়ই এখানে ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটছে।

সচেতন মহলের দাবি, কর্ণফুলী টানেলের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার প্রবেশমুখে এ ধরনের অবৈধ স্টেশন ও বিশৃঙ্খল যান চলাচল কোনোভাবেই কাম্য নয়। জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সড়ক দখলমুক্ত করা, অবৈধ স্টেশন উচ্ছেদ, চালকদের লাইসেন্স ও গাড়ির কাগজপত্র যাচাই এবং কথিত সিরিয়াল ব্যবস্থার আড়ালে অর্থ আদায়ের অভিযোগ তদন্ত করা জরুরি। অন্যথায় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা থেকেই যাবে।এবিষয়ে জানতে চাইলে চাতরী চৌমুহনী বাজারের দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্রাফিক ইন্সপেক্টর (টিআই) আশিকুর রহমান বলেন, সড়ক দখল করে সিএনজি স্টেশন করার কোনো সুযোগ নেই। আমরা নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে গাড়ি জব্দ করি। কিন্তু অভিযান শেষে আবারও সড়ক দখল করে সিএনজি স্টেশন গড়ে ওঠে। আমাদের ট্রাফিক পুলিশের সংখ্যা মাত্র পাঁচজন। এর মধ্যে চাতরী চৌমুহনী বাজারের যানজট নিয়ন্ত্রণে বেশি গুরুত্ব দিতে হচ্ছে।
সম্পাদক ও প্রকাশক
শামসুদ্দোহা প্রিন্স

বার্তা সম্পাদক
মাসুদ রানা
ঠিকানা: ২৮/১ টয়েনবি সার্কুলার রোড মতিঝিল, ঢাকা।  |  ফোন: 01778285847  |  ই-মেইল: natonbangladesh@gmail.com
© 2026 notunbangladesh24. All Rights Reserved.
ঢাকা  |  Thursday, 05 November, 2026
Notun Bangladesh 24
সারাদেশ

সড়ক দখল বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি

অনলাইন ডেক্স
স্টাফ রিপোর্টার
05 Nov 2026
News Image

বিস্তারিত পড়ুন

চট্টগ্রামের কর্ণফুলী টানেলের আনোয়ারা প্রান্তের গোলচত্বর এলাকায় সড়ক দখল করে গড়ে উঠেছে সিএনজিচালিত অটোরিকশার একাধিক অবৈধ স্টেশন। সড়কের ওপর যত্রতত্র অটোরিকশা দাঁড় করিয়ে যাত্রী ওঠানামা করায় সৃষ্টি হচ্ছে যানজট। পাশাপাশি বেপরোয়া চলাচল ও নিয়ন্ত্রণহীন যানবাহনের কারণে বাড়ছে সড়ক দুর্ঘটনার ঝুঁকি। স্টেশন পরিচালনাকারীদের বিরুদ্ধে চালকদের লাইসেন্স ও গাড়ির বৈধ কাগজপত্র ছাড়াই অটোরিকশা চলাচলের সুযোগ দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে। টানেলের আনোয়ারা প্রান্তের গোলচত্বরসংলগ্ন সড়কের একটি অংশ দখল করে সারিবদ্ধভাবে দাঁড় করিয়ে রাখা হয়েছে সিএনজিচালিত অটোরিকশা। এসব গাড়ির জন্য তৈরি করা হয়েছে নিজস্ব সিরিয়াল ব্যবস্থা। অভিযোগ রয়েছে, নির্দিষ্ট চক্রের নিয়ন্ত্রণে চলে এই সিরিয়াল। টাকা দিয়ে সিরিয়াল না পেলে বৈধ কাগজপত্র থাকা অন্য অটোরিকশাও সেখানে যাত্রী ওঠানামার সুযোগ পায় না। অন্যদিকে, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও চালকের ড্রাইভিং লাইসেন্স না থাকা কিছু অটোরিকশাও সিরিয়ালের মাধ্যমে চলাচল করছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

স্থানীয়দের অভিযোগ, সড়কের ওপর এভাবে অটোরিকশা স্টেশন গড়ে ওঠায় টানেলমুখী ও আনোয়ারাগামী যানবাহনের স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। বিশেষ করে ব্যস্ত সময়ে একদিকে যানজট, অন্যদিকে বেপরোয়া অটোরিকশার চলাচল পথচারী ও অন্যান্য যানবাহনের চালকদের জন্য ঝুঁকি তৈরি করছে। দীর্ঘদিন ধরে এ অবস্থা চললেও স্থায়ী কোনো সমাধান হচ্ছে না।
গত ৩০ জুলাই বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে টানেল মোড়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি বাস দোকানে ঢুকে পড়ে। এতে তিনজন নিহত ও অন্তত ১৫ জন আহত হন। দুর্ঘটনায় আটটি সিএনজিচালিত অটোরিকশাও ক্ষতিগ্রস্ত হয় বলে জানা গেছে। এ ঘটনার পরও টানেলসংলগ্ন এলাকায় সড়ক দখল, অব্যবস্থাপনা ও যানবাহনের অনিয়ন্ত্রিত চলাচল নিয়ে উদ্বেগ কমেনি। স্থানীয়দের দাবি, প্রায়ই এখানে ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটছে।

সচেতন মহলের দাবি, কর্ণফুলী টানেলের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার প্রবেশমুখে এ ধরনের অবৈধ স্টেশন ও বিশৃঙ্খল যান চলাচল কোনোভাবেই কাম্য নয়। জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সড়ক দখলমুক্ত করা, অবৈধ স্টেশন উচ্ছেদ, চালকদের লাইসেন্স ও গাড়ির কাগজপত্র যাচাই এবং কথিত সিরিয়াল ব্যবস্থার আড়ালে অর্থ আদায়ের অভিযোগ তদন্ত করা জরুরি। অন্যথায় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা থেকেই যাবে।এবিষয়ে জানতে চাইলে চাতরী চৌমুহনী বাজারের দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্রাফিক ইন্সপেক্টর (টিআই) আশিকুর রহমান বলেন, সড়ক দখল করে সিএনজি স্টেশন করার কোনো সুযোগ নেই। আমরা নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে গাড়ি জব্দ করি। কিন্তু অভিযান শেষে আবারও সড়ক দখল করে সিএনজি স্টেশন গড়ে ওঠে। আমাদের ট্রাফিক পুলিশের সংখ্যা মাত্র পাঁচজন। এর মধ্যে চাতরী চৌমুহনী বাজারের যানজট নিয়ন্ত্রণে বেশি গুরুত্ব দিতে হচ্ছে।