গত ২ অক্টোবর কলম্বিয়ার বোগোতা থেকে শুরু হয়েছিল বিটিএসের দক্ষিণ আমেরিকা সফর। এরপর পেরুর লিমা, চিলির সান্তিয়াগো ও আর্জেন্টিনার বুয়েনস এইরেস ঘুরে ব্রাজিলে পৌঁছায় দলটি। গত ২৮, ৩০ ও ৩১ অক্টোবর সাও পাওলোর মোরুম্বি স্টেডিয়ামে তিনটি কনসার্টের মধ্য দিয়ে শেষ হয় তাদের এই সফর।
কনসার্টগুলোতে নতুন অ্যালবাম ‘অ্যারিরাং’-এর গান পরিবেশনের পাশাপাশি ভক্তদের জন্য ছিল পুরোনো জনপ্রিয় সব গান। ‘ফেক লাভ’, ‘নট টুডে’, ‘মাইক ড্রপ’, ‘ফায়ার’, ‘আইডল’, ‘বাটার’ ও ‘ডাইনামাইট’-এর মতো গানে মেতে ওঠেন দর্শকেরা। মঞ্চে পোশাকেও ছিল বিশেষ চমক। ব্রাজিলের ফুটবল জার্সি পরে পারফর্ম করেন সদস্যরা। জিন ও আরএমের মাথায় দেখা যায় দেশটির আদিবাসীদের ঐতিহ্যবাহী পালকের মুকুট।
এই সফর শুধু সংগীতের আয়োজনেই সীমাবদ্ধ ছিল না, স্থানীয় শহরগুলোর অর্থনীতি ও পর্যটনেও ফেলেছে বড় প্রভাব। বোগোতায় গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ফ্লাইট বুকিং বেড়েছে ৪৬ দশমিক ৬ শতাংশ। লিমায় কনসার্টের দিন রাইড শেয়ারিং সেবার চাহিদা স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় ১৫ গুণ বেড়ে পরে ৪৮ গুণে পৌঁছায়। অন্যদিকে সান্তিয়াগোতে আবাসন খোঁজার হার বেড়েছে প্রায় ২০০ শতাংশ।বিটিএসের প্রতি ভালোবাসার স্বীকৃতিও দিয়েছে কয়েকটি শহর। বোগোতা ও বুয়েনস এইরেসে দলটিকে সম্মানিত অতিথি ঘোষণা করা হয়। সান্তিয়াগোতে সাময়িকভাবে একটি সড়কের নাম রাখা হয় ‘অ্যাভেনিদা বিটিএস’। শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাও আলোকিত করা হয় দলটির প্রতীকী বেগুনি রঙে।দক্ষিণ আমেরিকার ভক্তদের ভালোবাসায় মুগ্ধ বিটিএস সদস্যরাও আবার ফিরে আসার প্রত্যাশা জানিয়েছেন। সফর শেষে এবার এশিয়া ও অস্ট্রেলিয়ায় কনসার্ট করবে দলটি। আগামী ১৯ নভেম্বর তাইওয়ানের কাওশিয়ুংয়ে শুরু হবে এই পর্ব। এরপর থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর ও ইন্দোনেশিয়ায় পারফর্ম করার কথা রয়েছে তাদের। আগামী বছরের ফেব্রুয়ারিতে অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্ন ও সিডনিতেও কনসার্ট করবে বিটিএস।








