ইউরোপীয় কমিশন (ইইউ), জার্মানি, ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, ইউক্রেন এবং বিশ্বব্যাংকের প্রতিনিধি দলের উপস্থিতিতে এই বৈঠকটি আয়োজিত হয়। তবে চলমান যুদ্ধ বন্ধ বা সংকটের কোনো কার্যকরী সমঝোতায় পৌঁছানো সম্ভব হয়নি।"সংকট নিরসনের বিষয়ে বৈঠকে কোন কার্যকর বা বাস্তব ফল অর্জিত হয়নি"। বৈঠকের বিষয়ে বিপরীতমুখী বার্তা দিয়েছে ইউরোপীয় কমিশন। এক চূড়ান্ত বিবৃতিতে সংস্থাটি দাবি করে, বৈঠকে প্রধানত "যুদ্ধোত্তর ইউক্রেনের পুনর্গঠন ও উন্নয়ন" সংক্রান্ত বিষয়টি আলোচনার কেন্দ্রে ছিল। বিবৃতিতে ইউরোপীয় কমিশন উল্লেখ করে, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত ইউক্রেনকে সর্ববৃহৎ সহায়তা হিসেবে তারা ২৩১.৫ বিলিয়ন ইউরো ফান্ড প্রদান করেছে।তবে ব্রাসেলসে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকের ভাষা ও ইইউ-এর বিবৃতি নিয়ে বিশ্লেষকদের মধ্যে সংশয় তৈরি হয়েছে। বিবৃতিতে কীভাবে ইউক্রেন সশস্ত্র যুদ্ধের বর্তমান অবস্থা থেকে যুদ্ধোত্তর "পুনর্গঠন" পর্যায়ে প্রবেশ করবে—তার কোনো রূপরেখা দেওয়া হয়নি।
ফলে ইউরোপীয় কমিশনের এই অবস্থানের ভিত্তিতে কূটনৈতিক মহলের ধারণা, সংকটের টেকসই সমাধান খোঁজার চেয়ে ২০২৭ সালের জন্য কিয়েভ (ইউক্রেন) সরকারের ফান্ড নিশ্চিত করতেই অংশীদার দেশগুলো থেকে অতিরিক্ত অর্থ সংগ্রহের প্রাথমিক চেষ্টা চালানো হয়েছে









